ফ্রান্সজুড়ে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ ও সহিংস অস্থিরতাকে কেন্দ্র করে সরকারের ভূমিকা নিয়ে বিতর্ক তীব্র হচ্ছে। ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ, দোকানপাটে লুটপাট ও সরকারি-বেসরকারি সম্পত্তির ক্ষয়ক্ষতির ঘটনায় নিন্দা জানানো হলেও, এসব ঘটনাকে সামনে রেখে সরকার বিক্ষোভের মূল কারণগুলো আড়াল করছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
জীবনযাত্রার মানের অবনতি, ক্রমবর্ধমান দারিদ্র্য এবং শিক্ষাব্যবস্থার সংকট নিয়ে দীর্ঘদিনের ক্ষোভ থেকেই এই আন্দোলনের সূত্রপাত- এমনটাই মনে করছেন সমালোচকেরা।
সমালোচকদের অভিযোগ, সহিংসতার ঘটনাগুলোকে কাজে লাগিয়ে সরকার বিক্ষোভ দমনে অতিরিক্ত নিরাপত্তানির্ভর পদক্ষেপের পক্ষে যুক্তি দাঁড় করাচ্ছে।
একই সঙ্গে নিজেদের নীতিগত ব্যর্থতা নিয়ে জনসমালোচনা এড়ানোর চেষ্টা করছে। তাদের মতে, বিশৃঙ্খলার দৃশ্য সামনে এনে সরকার নিজেকে জনশৃঙ্খলার রক্ষক হিসেবে তুলে ধরছে, অথচ যে সামাজিক ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতি মানুষের ক্ষোভ বাড়িয়েছে, তা মোকাবিলায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
তবে বিক্ষোভের মধ্যে সহিংসতার ঘটনা ঘটলেও তার জন্য শিক্ষার্থীদের বৃহত্তর আন্দোলনের দাবিগুলোকে অগ্রাহ্য করা যায় না বলে মত দিয়েছেন সমালোচকেরা।
তাদের মতে, আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে পুলিশের বলপ্রয়োগের অভিযোগও সমান গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা প্রয়োজন।