শিরোনাম :
ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে দফায় দফায় শ্রমিক-পুলিশ ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া টিয়ার গ্যাস সেল ও সাউন্ড গ্রেনেট নিক্ষেপ আটক দুই জন  গাজীপু‌রে  মহাসড়‌কে অব‌রোধ নেই , ২৫ প্লাটুন বিজিবি , আনসার ও এসআরবি মোতায়েন  প্রায় সাড়ে ৫ ঘন্টা পর ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে যানবাহন চলাচল শুরু, বিজিবি মোতায়েন  গাজীপুরে সেফটিক ট্যাংক বিস্ফোরণ পোশাক শ্রমিক নিহত গাজীপুরের কালিয়াকৈরে অটোরিক্সা চালক নিখোঁজ থানায় অভিযোগ সড়ক দুর্ঘটনায় মাদ্রাসা শিক্ষার্থী আহত মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ যাত্রী দুর্ভোগ সালমানকে হত্যার ছক, নজরদারিতে আমির-অমিতাভ-অক্ষয়—শেষে হামলা টাইগারের গাড়িতে মঞ্চে উঠলেই কেন মৃত্যুভয় কাজ করত এ আর রহমানের বিজয়ের সঙ্গে বিচ্ছেদের গুঞ্জনে মুখ খুললেন রাশমিকা ডোমেস্টিক থ্রি বা ‘ডি-থ্রি’ কী?
বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০২:১৩ অপরাহ্ন

মঞ্চে উঠলেই কেন মৃত্যুভয় কাজ করত এ আর রহমানের

প্রতিনিধির নাম / ১৭ বার পাঠ করা হয়েছে
আপডেট : সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬

সিনেমার গানে সুরের মূর্ছনা ছড়িয়ে বিশ্বজুড়ে খ্যাতি অর্জন করেছেন অস্কারজয়ী ভারতীয় সংগীত পরিচালক এ আর রহমান। তবে ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে দর্শকের সামনে মঞ্চে গান পরিবেশন করা তার জন্য ছিল বেশ কঠিন। মঞ্চে উঠলেই তীব্র ভয় কাজ করত তার মনে। এমনকি সেই অনুভূতিকে মৃত্যুর মুখোমুখি হওয়ার সঙ্গে তুলনা করেছেন এই সংগীত তারকা।

সম্প্রতি হিন্দুস্তান টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নিজের মঞ্চে সংগীত পরিবেশনের শুরুর দিকের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন রহমান। তিনি জানান, একসময় মঞ্চে দাঁড়ানোই তার কাছে ভীতিকর অভিজ্ঞতা ছিল। দর্শকের সামনে পারফর্ম করার সময় এমন ভয় পেতেন যে মনে হতো, যেন মৃত্যুকে সামনে থেকে দেখছেন।

১৯৯৬ সালে মালয়েশিয়ায় প্রথমবার সরাসরি দর্শকের সামনে সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে তার লাইভ পারফরম্যান্সের যাত্রা শুরু হয়। এরপর কেটে গেছে প্রায় তিন দশক। সেই সময়ের ভীতি কাটিয়ে এখন তিনি যুক্তরাষ্ট্রে সিম্ফনি অর্কেস্ট্রার সঙ্গে পরিবেশনা থেকে শুরু করে ‘ওয়ান্ডারমেন্ট ট্যুর’-এর মতো বড় আয়োজনেও অংশ নিচ্ছেন।

নিজের দীর্ঘ সংগীতযাত্রা প্রসঙ্গে রহমান বলেন, মালয়েশিয়ায় প্রথম পারফরম্যান্সের পর ৩০ বছরে তার কাজের পরিধি অনেক বেড়েছে। বর্তমানে বিভিন্ন ধরনের আয়োজনের মাধ্যমে দর্শকদের সামনে নিজের সংগীত তুলে ধরছেন তিনি।

তবে সিনেমার জন্য স্টুডিওতে তৈরি করা সুর মঞ্চে পরিবেশনের উপযোগী করে তোলা সহজ ছিল না। রহমানের সংগীতের স্বতন্ত্র ধরন এবং সুরের বৈশিষ্ট্যের কারণে মঞ্চে সেগুলো যথাযথভাবে উপস্থাপন করতে শিল্পীদের বাড়তি সময় ও প্রচেষ্টা প্রয়োজন হতো।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর